দালাল ছাড়া পাসপোর্ট করার নিয়ম ||| আর্জেন্ট পাসপোর্ট করার নিয়ম
 |
দালাল ছাড়া পাসপোর্ট করার নিয়ম |
আসসালামু আলাইকুম,
আমরা যারা পাসপোর্ট করতে আগ্রহী তারা অনেকেই পাসপোর্ট কিভাবে আবেদন করতে হয়। পাসপোর্ট করার জন্য কত টাকা প্রয়োজন, নতুন পাসপোর্ট করার নিয়ম, আর্জেন্ট পাসপোর্ট করার নিয়ম, তাছাড়া আমাদের বাংলাদেশের রয়েছে দালালের সমস্যা। আমরা অনেকেই আরো জানতে চাই দালাল ছাড়া পাসপোর্ট করার নিয়ম সহ আরো অনেক প্রশ্ন আমাদের মনের মধ্যে থেকে যায়। আর পাসপোর্ট সংক্রান্ত পরিচিত কাউকে প্রশ্ন করলে সেও সঠিক কোনো উত্তর দিতে পারে না। কারণ পাসপোর্ট আবেদনের কাগজপত্র, নিয়ম, ভেরিফিকেশন সহ আরো অনেক সমস্যা ফেস করতে হয়। যেগুলো সচরাচর পরিবর্তন হতে থাকে। তাই আমরা নতুন যে নিয়ম গুলো আছে সেই বিষয়গুলো নিয়ে আজকে কথা বলব। আশা করি আপনাদের ভিতরে পাসপোর্ট নিয়ে যে ভুল ধারণা গুলো রয়েছে। সেগুলো আজকে আপনারা জেনে যাবেন। তাছাড়া দালাল ছাড়া পাসপোর্ট করার নিয়ম সেটা নিয়েও আজকে আমরা কথা বলবো।
পাসপোর্ট সংক্রান্ত কেউ সঠিক তথ্য আপনাকে দিতে পারবে না। কারণ আপনার পরিচিত আত্মীয়-স্বজন বন্ধু-বান্ধব সহ আপনার শুভাকাঙ্খী রয়েছেন তারাও মূলত আপনাকে সঠিক তথ্য দিতে পারবে না। কারণ মানুষ জীবনে পাসপোর্ট একবারই করে। কারোন পাসপোর্ট এর জন্য আপনি একবার এপ্লাই করতে পারবেন এবং পরবর্তীতে যতবার রিনিউ করবেন। ততোবারই পাসপোর্ট একই সিরিয়াল নাম্বার থাকবে। শুধু পাসপোর্ট এর মেয়াদ আপডেট হয়ে আসবে। এইজন্য পাসপোর্ট সম্পর্কে অনেক প্রশ্ন আমাদের মধ্যে থাকে যেগুলোর উত্তর আমরা অনলাইন থেকে খুঁজে থাকি বা অনলাইন থেকে পাওয়া সম্ভব। তো বন্ধুরা আমরা পাসপোর্ট নিয়ে আজকে বিস্তারিত আলোচনা করব এবং পাসপোর্ট সংক্রান্ত আপনার আরো প্রশ্ন থাকলে। আমাদের ওয়েবসাইটে পাসপোর্ট সম্পর্কে গাইডলাইন রয়েছে আপনি চাইলে এই পোস্টগুলো দেখতে পারেন ধন্যবাদ
দালাল ছাড়া পাসপোর্ট করার নিয়ম
প্রথমে আমরা কথা বলবো দালাল ছাড়া পাসপোর্ট করার নিয়ম।
প্রথমে আসি সরকারি কোন না কোন কাজে। সরকারি কোন কোন সার্ভিস বা সেবা নেওয়ার জন্য আপনাকে হয়রানির শিকার হতে হয়। কখনো সরাসরি কর্মকর্তা নগদ অর্থ অথবা মূল্যবান কিছু একটা চেয়ে বসে। আপনার থেকে সাধারণত সরকারি প্রতিটা সেক্টরে ঘুষ নেওয়ার একটা সুযোগ সরকারি কর্মকর্তাদের হাতে থাকে এবং সেটা সম্পূর্ণ ব্যবহার করে। তার নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য। আর যদি কোথাও ঘুষ নেওয়ার মতো কোনো সুযোগ না থাকে। তবে অবশ্যই আপনাকে হয়রানি হতে হবে। কারণ তার মেজাজ সবসময় গরম থাকে। কারন সে ঘুষ নিতে পারছে না। আর যদি কোনো সুযোগই না থাকে তাহলে দেখবেন সরকারি অফিসের বাইরে সব সময় ঘোরাফেরা করে একটা চক্র। যে আপনাকে সাহায্য করার জন্য জড়াজড়ি শুরু করে। সাহায্য আপনাকে সে করবেই। দেখে এমন একটা ভাব করবে যেন আপনার সব সমস্যা সমাধান করে দিবে মুহূর্তের মধ্যে।
তবে হ্যা কিছু-কিছু কাজ করেও। কিন্তু টাকা প্রথমে একবার নেওয়ার পরেও। আবার টাকা চেয়ে বসে এবং একটা সময় দেখা যাবে আপনার 7 দিনের কাজ তিন মাস লেগে যাচ্ছে। এই জন্য মূলত পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার সময়। পাসপোর্ট অফিসের বাইরে যারা আপনাকে সাহায্য করার জন্য আগ্রহ দেখাবে। তাদের সাথে কোনো ধরনের কথাই বলবেন না। তারা আপনার হাত থেকে পেপারটা নেয়ার চেষ্টা করবে। যে ভাই কি আবেদন করতেছেন। কিভাবে করবেন। প্রথমে বলতেও পারে যে ভাই আমিও আবেদন করব। আমাকে একটু দেখান কিভাবে লিখছেন। এক কথায় আপনাকে প্রস্তাব দিবে এরপর আপনাকে বলব আপনার আবেদনপত্র আমার হাতে দিয়ে দেন - টাকা দেন তাকে যখন দিবেন এর পরে ধাপে ধাপে আগাইতে শুরু করবে। ঘুরেফিরে টাকা চাইবে তাছাড়া সময় তো যাবে। এজন্য দালালের খপ্পরে না পড়ে নিজে নিজে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে চেষ্টা করুন আপনার ফ্রম একসেপ্ট করলেও করতে পারে।
যেমন আমি আমার পাসপোর্ট করেছি। আমাকে তিনদিন গড়িয়েছে - প্রথমদিন কে বলেছে এই সমস্যা। পরেরদিন কে আবার ঠিক করে গেছি। সেদিন কেউ ঘুরাইতেছে। আবার ঠিকঠাক করে পরের দিনকা বার গেছি এবং সেদিনকে সঙ্গে অরিজিনাল-ডুব্লিকেট এবং আমার 14 গুষ্টির কাগজপত্র সব নিয়ে গেছে। দেখি আজকে আমাকে কিভাবে ফিরিয়ে দেয় এবং সেদিনকে এক্সেপ্ট করে। আপনিও ট্রাই করুন। আমি আমার রাস্তায় এগিয়েছি। তাইতো আমার এরকম গভীর অভিজ্ঞতা হয়েছে।
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে কত টাকা লাগে?
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে কত টাকা লাগে আমি এই প্রশ্নটিই অনেকবার পেয়েছি
[ সাধারণত ৫০০/- টাকা পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ফি প্রদান করতে হবে। কিন্তু পুলিশ আরো অনেক বেশী টাকা নিয়ে থাকে ] হায়রে বাংলাদেশ এই প্রশ্ন পেতে হবে এবং পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে কত টাকা লাগে এ সম্পর্কেও যে ব্লগে লিখতে হবে। এটা আমি কখনো আশা করিনি। আর কি দেখতে হবে জানি না। যাই হোক সবার প্রথম বলে রাখি ভাই পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে এক টাকাও লাগেনা। পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষ থেকে বলা আছে।
তবে হ্যাঁ আপনাকে অবশ্যই পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে টাকা দিতে হবে। টাকা যদি না দেন তাহলে পুলিশ আপনার সঙ্গে অনেক কিছু করতে পারে। আর সচেতনামূলক একটি কথা বলে রাখি। যদিওবা এই কথাটি পাসপোর্ট এর সঙ্গে যায়না। তারপরও বলি, পুলিশ ভেরিফিকেশনে সরকারিভাবে কোনো টাকা নেওয়ার বা পুলিশকে টাকা দেওয়ার নিয়ম নাই। এসম্পর্কে পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষ বলেছে পুলিশকে একটা-টাকাও দিতে হবে না।
পুলিশ ভেরিফিকেশন করতে কি কি কাগজ লাগে
কিন্তু বাস্তবতা এইযে, পুলিশ আপনার বাসায় আসলে আপনাকে অবশ্যই তাকে আদর আপ্যায়ন করতে হবে। অতিথির মত এবং আপনার কাগজ বের করে আপনাকে অনেকে উপায় আপনাকে বিভ্রান্তি করবে এবং এমন এমন প্রশ্ন করবে যেগুলোর কোন বাপ-মা নাই। তাই আপনাকে পুলিশকে টাকা দিতেই হবে। আর পুলিশের সঙ্গে খারাপ কিছু করলে আপনাকে অনেক ঝামেলা পোহাতে হবে। কারণ পাসপোর্ট আমরা করে থাকি যারা বিদেশ যাবে।
যারা প্রবাসী ভাইরা যারা আছেন তাছাড়া অল্প কিছু মানুষ আছে যারা শখের বশে পাসপোর্ট করে। দেশের ভেতরে কোন কাজের জন্য তাদের সাব্জেক্ট আলাদা। আবার কিন্তু যারা বিদেশ যাবে তারা অবশ্যই পুলিশকে আদর আপ্যায়ন এর সঙ্গে সঙ্গে কিছু টাকা দিতে হবে। সেটা পুলিশ নিজের মুখে বলবে ওদের লজ্জা শরম কিছু নাই। ওরা নিজের মুখেই বলে এজন্য আমি আর না বলি। আর যদি না দেন তাহলে পুলিশ মামলা সহ আরো অনেক সমস্যা এবং বিভিন্ন কথা বলে। আপনাকে কনফিউশনে ফেলে দিবে এবং আপনি নার্ভাস হয়ে যাবেন একটা পর্যায়ে আপনাকে টাকা দিতেই হবে এবং মাঝখানে হয়রানির শিকার হতে হবে। অনেক জায়গায় ঘুরতে হবে তার থেকে বরং তাকে কিছু টাকা দিয়ে দিবেন।
সাধারণত 1-2 হাজার টাকা দিলেই হয়। এ সংখ্যাটা আপনাকে বললাম আপনার ধারণার জন্য। বাকিটা আপনার বাসা কোথায় শহরে বা গ্রামে - বাসা দেখতে কেমন - বাসার মানুষ কেমন - বিভিন্ন বিষয়ের উপরে মূলত পুলিশ তার কাঙ্ক্ষিত মূল্য আপনার সামনে প্রকাশ করবে। তো যাই হোক সে বিষয়ে আমি আর কিছু না বলি। কারণ আমি পুলিশ না।
পাসপোর্ট সম্পর্কে আমাদের আরো অনেক পোষ্ট আছে। আপনারা চাইলে দেখতে পারেন। পাসপোর্টে যেকোন সমস্যার জন্য আমাদের অনেক আর্টিকেল পাবেন। নিচের লিংক দেওয়া হল আপনারা সেখান থেকে আপনাদের কাঙ্খিত পাসপোর্ট সংক্রান্ত এবং বাংলাদেশের সরকারি বেসরকারি জব সংক্রান্ত তথ্য আমাদের ওয়েবসাইটে দেখতে পাবেন। ধন্যবাদ এতক্ষণ পড়ার জন্য
আমাদের পোষ্ট গুলো:
নতুন পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে ২০২৩? Passport ar jonno ki ki lage (দেখুন)
পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে || পাসপোর্ট করার নিয়ম ও খরচ ২০২৩ (দেখুন)